বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট বিটকমেট

আমরা অনেকেই হয়ত টরেন্ট শব্দটার সাথে খুব বেশি পরিচিত না। তবে সাধারণত যারা অনেকদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের এই শব্দটা ভালই শোনার কথা। বিটটরেন্ট শব্দটাকেই অনেকে সংক্ষেপে শুধু টরেন্ট বলে।

বিটটরেন্ট হল পিয়ার-টু-পিয়ার ফাইল শেয়ারিং প্রটোকল যা অনেক বড় সাইজের ফাইল শেয়ার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রোগ্রামার ব্রান কোহেন ২০০১ এর এপ্রিলে প্রথম এই প্রোটকলটা ডিজাইন করেন এবং ২০০১ এর ২রা জুলাই মাসে এটার প্রথম ব্যবহারযোগ্য ভার্সন রিলিজ দেওয়া হয়।

টরেন্ট যেভাবে কাজ করে তা হল প্রখমে একজন ব্যবহারকারী ফাইল প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করে এবং ফাইলটা নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেয়। এই ব্যবহারকারীর ফাইলটাকে বলা হয় সিড। অন্যান্য ব্যবহারকারী তখন এটার সাখে কানেক্ট করে ফাইলটা ডাউনলোড করতে পারে । যারা ডাউনলোড করে তাদেরকে পিয়ার বলে। নতুন পিয়ারদের মূল সিডের বিভিন্ন অংশ ডাউনলোড করতে দেওয়া হয়। যখন বিভিন্ন পিয়ার বিভিন্ন অংশ ডাউনলোড করে ফেলে তখন বিটটরেন্ট এই পিয়ারগুলোকে মূল ফাইলের সোর্স হিসেবে কাজ করার অনুমিত দেয়। এতে মূল সিডের উপর চাপ অনেক কমে যায় এবং মূল ফাইলের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন পিয়ার হতে শেয়ার করা শুরু করে। পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , ,

জেন্ড সার্টিফায়েড ইঞ্জিনিয়ার সম্বন্ধে কিছু কথা

Tags: , , ,

ওয়েব সাইট এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কৌশল

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা সিইও বলতে আমরা কি বুঝি? সাধারনত সার্চ ইঞ্জিনে যখন কেউ কিছু সার্চ করে তখন যে ফলাফল গুলো সবচে উপরের দিকে খাকে সেগুলোই বেশি ভিজিট করে।আর সার্চ ইঞ্জিনগুলোও সবচে কার্যকর এবং যথাযথ ফলাফল দেখানোর চেষ্টা করে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হল এমন কিছু পদ্ধতি যা ব্যবহার করে ওয়েব সাইট ডেভলপ করলে সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলে ওপরের দিকে থাকা যায়।

উদাহরণ স্বরূপ, আপনার একটা সাইট আছে যেখান থেকে আপনি মোবাইল ফোন বিক্রয় করেন। ধরুণ আপনার বন্ধুরও একটি সাইট আছে সেখান থেকে সেও মোবাইল ফোন বিক্রয় করে। এখন আপনি হয়ত গুগল অথবা ইয়াহু তে সার্চ করে দেখলেন আপনার বন্ধুর সাইট আপনার সাইট থেকে অনেক উপরে দেখায়। আপনার সাইটটা যাতে উপরের দিকে দেখায় সেজন্য আপনাকে দেখতে হবে সিইও পদ্ধতি গুলো দ্বারা আপনার সাইটটা অপটিমাইজ করা হয়েছে কিনা। যদি না করা থাকে তাহলে আপনার উচিত এখনই সিইও পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে সাইটের র‌্যাংক বাড়ানো। যদিও সিইও প্রয়োগ করলে সাথে সাথেই আপনি ফলাফল দেখতে পাবেন না। ফলাফলের জন্য কিছুদিন ধর্য্য ধরে থাকতে হবে। পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , , , ,

ডাটাবেজ ডিজাইনে মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্

ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে ডাটাবেজ খুবই গুরত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। যারা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ব্যাকএনডে কাজ করে তারা সবাই কম বেশি ডাটাবেজ নিয়ে কাজ করে।আর একটা অ্যাপ্লিকেশনের ডাটাবেজ কেমন হবে সেটা সম্পর্কে যদি আগেভাগেই ভালো ধারনা পাওয়া যায় তাহলে অ্যাপ্লিকেশনটা অনেক সহজে এবং ভালভাবে ডেভলপ করা যায়। আমরা যদি শুধু এসকিউএল কোড দেখি তাহলে কিন্তু বুঝতে পারব না ডাটাবেজটা কেমন, কোন টেবিলের সাথে কোন টেবিল যুক্ত।সুতরাং ডাটাবেজ ডিজাইনের জন্য ভিজুয়াল পরিবেশনা দরকার।

ডাটাবেজ ভিজুয়ালি পরিবেশন ও ডিজাইন করার জন্য অনেক টুলস্ আছে যেমন ডিবি ডিজাইনার, মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্।আমি আগে ডিবি ডিজাইনার ব্যবহার করতাম এখন মাইএসকিউএল ব্যবহার করি। নিচের চিত্রে দেখুন কেমন হতে পারে মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ করা ডাটাবেজ ডিজাইন: পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , ,

ফ্রিলান্সিং সাইট থেকে টাকা আনার পদ্ধতি

আমার কাছে অনেকেই জিজ্ঞাসা করে ফ্রিলান্সতো করতে চাই কিন্তু টাকা দেশে আনবো কেমনে। অনেকে আবার মনে করে পেপাল (একটা পেমেন্ট পদ্ধতি) এদেশে সেবা দেয় না সুতরাং কোন ভাবেই টাকা আনা যাবে না।আমার এই আর্টিকেল লেখার উদ্দেশ্য হল ফ্রিলান্সিং করে কিভাবে টাকা আপনার কাছে আনবেন তা পরিস্কার ভাবে জানানো।

এখানে আর একটি কখা বলে রাখি সাধারণত সবগুলো ফ্রিলান্স সাইট খেকে টাকা আনার পদ্ধতি একইরকম। সুতরাং ঘাবড়াবার কিছুই নাই।

নিচে আমি ওডেক্স এবং ফ্রিলান্সার সাইট যে পদ্ধতিগুলো টাকা আনার জন্য সাপোর্ট করে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করতেছি। পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , , , ,

ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিলান্স

ফ্রিলান্স কি?

ফ্রিলান্স হল নিজে নিজে চাকুরী করা এবং খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য কোন নিয়োগকর্তার সাথে নিয়োগ চুক্তিতে না যাওয়া। যারা এভাবে কাজ করে তাদেরকে ফ্রিলান্সার বলে। কেউ ফ্রিলান্স ফুল টাইম অথবা পার্ট টাইম ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারে। ফ্রিলান্সাররা ঘণ্টা, দিন অথবা প্রযেক্ট এর ভিত্তিতে কাজ করে।এখনকার দিনে ফ্রিলান্সার বলতে মুলত লেখক, ডিজাইনার এবং প্রোগ্রামার দেরকেই বুঝায়। ফ্রিলান্সারদের কোন অফিস নাই। তারা ঘরে, পার্কে যেকোন যায়গায় কাজ করতে পারে।

যেভাবে ফ্রিলান্সার হওয়া যায়

ফ্রিলান্সারদেরকে নিজে নিজেয় কাজ যোগার করতে হয়। এটা ফ্রিলান্স ক্যারিয়ারের শুরুতে কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু আমি আলোচনা করব কিভাবে এই কঠিন কাজটা সহজে করা যায়। আমার এই আর্টিকেল লেখার প্রধান উদ্দেশ্য আমার দেশের মানুষ যেন ফিলান্স করতে উৎসাহী হয় এবং বিভিন্ন ফ্রিলান্স সাইটে বাংলাদেশের নাম উজ্জল করে। পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , ,

পিএইচপি ভ্যারিয়বলে এইচটিএমএল অ্যাসাইন করার বিকল্প রাস্তা

alternative way of assigning html in php variable
ফেইসবুক অ্যাপলিকেশন ডেভলপার হিসেবে, আমদের কখনও কখনও ফেইসবুক এপিআই কল করার জন্য পিএইচপি ভ্যারিয়বলে এইচটিএমএল, সিএসএস কোডের অনেক অংশ অ্যাসাইন করতে হয়। আমি দেখেছি অনেক প্রোগ্রামার নিচের মত করে কোড করে

 <?php
      $a    =   <<<EOD
<div>         my name is $name         blah blah blah....</div>
EOD;
facebook_api_method($a); ?>

যদি এই ধরনের কোড ছোট হয় তাহলে এটা খুব বড় কোন ব্যাপার না। কিন্তু কোডের এই ধরনটি ডিবাগিং করার জন্য খুব পঠনযোগ্য নয়। কারণ বেশিরভাগ আইডিই পিএইচপি ভ্যারিয়েবলের একটি ভ্যালু হিসেবে একটি মাত্র রং দেখায়। কিন্তু চিন্তা করেন যখন অনেক এইচটিএমএল কোড এই ভাবে ব্যবহার করা হয় তখন অন্যান্য প্রোগ্রামারদের জন্য খুব সময় লাগে কোড বুঝার জন্য। কারণ আধুনিক আইডিই তে আলাদা রংয়ে এইটটিএমএল/সিএসএস ট্যাগ দেখায়, সুতরাংটি কোড খুব পঠনযোগ্য হয় এবং পরিবর্তন করা সহজ হয়।
এই সমস্যাটি সমাধান করতে নিচের কোড দেখুন

<?php
   ob_start();
   include_once "html_markup.php";
   $variable  = ob_get_contents();
   ob_clean();
   facebookl_api_callmethod($variable);
?>

html.php হল অন্য একটা ফাইল যেখানে এইচটিএমএল কোড রাখা হয়েছে

<div>
     My name is <?=$name?>     blah blah blah ......
<div>

ob_start() যখন কল করা হয় তখন এই ফাংশনটি আউটপুট বাফার অন করে দেয়। আউটপুট বাফার যতক্ষন অন অবস্থায় থাকে ততক্ষন কোন কিছুই আউটপুটে পাঠানো হয় না(শুধুমাত্র হেডার ছাড়া), এই সময় আউটপুট একটি অভ্যন্তরীণ বাফারে সংরক্ষণ হয়। ob_get_contents() আউটপুট বাফার মুছে ফেলে এবং আউটপুট বাফারের অভ্যন্তরস্থ সবকিছু স্ট্রিং হিসেবে রিটার্ন করে । সুতরাং একটি ভ্যরিয়বলে স্ট্রিং টা স্টোর করে ব্যবহার করা যায়। যদি এইভাবে কোড করা হয় তাহলে অবশ্যয় ob_clean() কল করা উচিত। এই মেথড আউটপুট বাফার মুছে ফেলে।

Tags: , , ,

পিএইচপি৫ এ মেথড চেইনিং

method chaining in php5
যখন আমরা ক্লাস ডিজাইন করি, আমাদের মনে রাখা দরকার এটাকে কিভাবে আমরা আরো সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারি, যাতে অন্য ডেভলপারদেন বুঝতে সুবিধা হয়। পিএইচপি ৫ এ মেথড চেইনিং নামে নতুন একটা বৈশিষ্ট আনা হয়েছে যেটা ওওপি ধারনার নতুন সংযোজন। এটা ব্যবহার করে আমরা নিচের মত করে মেথড কল করতে পারি।

$obj->methodX()->methodY()->………….->methodZ();

পিএইচপি৪ এবং পিএইচপি৫ এর মধ্যে একটি ক্ষুদ্র পরিবর্তন হল, পিএইচপি৫ এ মেথড খেকে নিজের ক্লাসের অবজেক্ট রিটার্ন করা যায়। আমরা সাধারণত এইভাবে ক্লাস ব্যবহার করি: পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: ,