ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে ডাটাবেজ খুবই গুরত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। যারা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ব্যাকএনডে কাজ করে তারা সবাই কম বেশি ডাটাবেজ নিয়ে কাজ করে।আর একটা অ্যাপ্লিকেশনের ডাটাবেজ কেমন হবে সেটা সম্পর্কে যদি আগেভাগেই ভালো ধারনা পাওয়া যায় তাহলে অ্যাপ্লিকেশনটা অনেক সহজে এবং ভালভাবে ডেভলপ করা যায়। আমরা যদি শুধু এসকিউএল কোড দেখি তাহলে কিন্তু বুঝতে পারব না ডাটাবেজটা কেমন, কোন টেবিলের সাথে কোন টেবিল যুক্ত।সুতরাং ডাটাবেজ ডিজাইনের জন্য ভিজুয়াল পরিবেশনা দরকার।

ডাটাবেজ ভিজুয়ালি পরিবেশন ও ডিজাইন করার জন্য অনেক টুলস্ আছে যেমন ডিবি ডিজাইনার, মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্।আমি আগে ডিবি ডিজাইনার ব্যবহার করতাম এখন মাইএসকিউএল ব্যবহার করি। নিচের চিত্রে দেখুন কেমন হতে পারে মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ করা ডাটাবেজ ডিজাইন:

সুতরাং বুঝতেই পারছেন এরকম ডিজাইন দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারা যায় ডাটাবেজটা কেমন হবে।

মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ এ ২ ধরনেরতে এডিশন আছে:

১. মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ কম্যুনিটি সংস্করণ — যা জিপিএল লাইসেন্সের মাধ্যমে উন্মুক্ত
২. মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ স্টান্ডার্ড সংস্করণ— বার্ষিক  সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে এটা কিনে ব্যবহার করতে হয়। ডিবিএতে উন্নয়ন করতে অতিরিক্ত মডিউল এবং প্লাগিন অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ কম্যুনিটি সংস্করণ এর বৈশিষ্টগুলো হল:

১. পরিপূর্ণ এনটিটি-রিলেশনশিপ ডায়াগ্রাম করা যায়
২. জনপ্রিয় মডেলিং এর প্রতীক-গুচ্ছ ব্যবহার করা যায়
৩. সকল ধরনের ডাটা সম্পর্কিত বস্তু এবং কোড সম্পর্কিত বস্তু ব্যবস্থাপনা করা যায়
৪. রিভার্স ইন্জিয়ারিং করে এসকিউএল কোড থেকে মডেল এবং ডাটাবেজ তৈরি করা যায়
৫. আনডু এবং রিডু করা যায়
৬. ডিবি ডিজাইনে করা কাজ এখানে ইমপোর্ট করা যায়
৭. পিনজি, এসভিজি, পিডিএফ ফরম্যাটে মডেল এক্সপোর্ট করা যায়
৮. খুব সহজেই মডেল প্রিন্ট করা যায়
এছাড়া আরো অনেক কিছু করা যায়।

মাইএসকিউএল ওয়ার্কবেনচ্ উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকএও ব্যবহার করা  যায়। এই সাইট থেকে আপনি সফটওয়ারটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

সফটওয়ারটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই মাইএসকিউএল কোড তৈরি করতে পারবেন।যা আপনার কাজকে ত্বরান্বিত করবে।

🙂