ইংরেজী থেকে বাংলা অভিধান আমাদের সকলের জন্যই অত্যন্ত দরকারি একটি জিনিস। একটা সময় ছিল যখন আমাদের ইংরেজী শব্দের বাংলা অথর্ জানার জন্য বই থেকে খুজে খুজে বের করতে হত। এরপর কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে ইন্টারনেট থেকে অথবা েডস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে আমরা অথর্ খুজে নিতাম। বতর্মান যুগে, আইফোন এবং আইপ্যাড অনেক জনপ্রিয় মোবাইল ডিভাইস। সুতরাং এই মোবাইল ডিভাইসের প্রথম ইংরেজী থেকে বাংলা অভিধানের সাথে আমি আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব। যদিও এই অ্যাপ্লিকেশন ২ বছর আগে আমরা তৈরি করি, কিন্তু এখন পযর্ন্ত এটা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একমাত্র বাংলা অভিধান।এই অ্যাপ্লিকেশনের ২টা ভাসর্ন আছে, একটা কিনতে হয় এবং একটা ফ্রী ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপ্লিকেশন সম্পকের্ জানতে এই লিংকে ভিজিট করুন
২০০৭ সালের কথা, কম্পিউটার সায়েন্সের ৩য় বষর্ের ছাত্র আমি। জাভা েপ্রাগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে খুবই দক্ষ এবং উৎসাহী। শখ করে েমাবাইল েফানে কিভাবে অ্যাপ্লিকেশন বানাতে হয় তা শিখলাম। কিছু অ্যাপ্লিকেশনও বানালাম। এক বড় ভাই বুদ্ধি দিল অনলাইনে বিক্রয় করার জন্য। তখন ইন্টারনেটে খুজে দেখলাম কিভাবে অনলাইনে বিক্রয় করা যায়।
পেপাল (www.paypal.com) খুবই জনপ্রিয় একটা সাইট একাজের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশে পেপাল নাই। তাইলে কি হবে, অনেক খুজেঁ পেলাম শেয়ার আইটি (http://shareit.com/) খুবই জনপি্রয় এবং ভাল একটা সাইট। এদের সাইট এবং সিস্টেম ব্যবহার করে আপনি সফটওয়্যার, গ্রাফিক ডিজাইন বিক্রয় করতে পারবেন। এরা একটা নিদির্ষ্ট পরিমান অায় হলে অাপনার ব্যাংকে টাকা পাঠায়ে দিবে। অামি দীঘর্ ৩ বছর এদের সাভির্স ব্যবহার করেছি।
এরপর ২০১০ সালে পেলাম প্লাইমাস (http://home.plimus.com/ecommerce/) এটাও খুব ভাল একটা সাইট। অার এরা শেয়ার আইটি থেকে মুনাফা কম করে। সুতরাং অামি এখন প্লাইমাস ব্যবহার করে আমার েমাবাইল েফানের অ্যাপ্লিকেশন বিক্রয় করি। আপনি নিজের ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যার, গ্রাফিক ডিজাইন যদি বিক্রয় করতে চান, তাহলে শেয়ার আইটি অথবা প্লাইমাস ব্যবহার করতে পারেন। অাপনার অায় আপনি এখান থেকে আপনার ব্যাংকে খুব সহজেই আনতে পারবেন। আর প্লাইমাস অান্তর্জাতিক মাস্টার কাডর্ও দেয়, সুতরাং আপনি চাইলে প্লাইমাস থেকে আপনার অায় কাডর্েও আনতে পারবেন।
আমার েমাবাইল অ্যাপ্লিকেশন বিক্রয় করার সাইটটি হল: http://ftechdb.com যেটা ২০০৭ সাল থেকে এখনও বতর্মান। যদিও এখন আমি জাভাতে কাজ করিনা ২০০৮ সাল থেকে LAMP ওয়েব ডেভলপার হিসেবে কাজ করি, আর পাশাপাশি শখ করে আইোফনে অ্যাপ্লিকেশন বানাই।
অনেক সময় আমাদের এমন হয় যে কাজ করতে গিয়ে আমরা ছোট বড় ভুল করে ফেলি।যখন আপনি কাজ করতে গিয়ে বড় ধরনের কোন ভুল করে ফেলবেন তখন ক্লায়েন্ট আপনার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে এবং পরবর্তীতে আপনাকে আর কাজ নাও দিতে পারে। অপরদিকে আপনি যদি আপনার কাজ দিয়ে ক্লায়েন্ট কে খুশি করতে পারেন তাহলে সে তার পরবর্তী কাজ আপনাকে দিয়েই করাতে চাইবে।
তাই কোনো কারনে ভুল হয়ে গেলে সেটা যদি সময়মত সংশোধন করে নেয়া যায় তাহলে আপনি ক্লায়েন্ট এর প্রশংসা বা সম্মান কোনোটাই হারাবেন না।
আপনি ফ্রিলান্সিং যে সাইটেই করে থাকুন না কেন আপনার উচিত সব ফ্রিলান্স সাইটেই খোঁজ খবর রাখা। আজকে ওডেক্স মার্চ মাসের জব এর উপর একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সুতরাং একবার রিপোর্ট টা দেখুন।
মার্চ মাস ২০১০ এর ওডেক্স জব রিপোর্ট
একটা জিনিস দেখে ভালো লাগলো বাংলাদেশে ফ্রিলান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে।
মানুষ মাত্রই ভুল কিন্তু তারপরও আপনি যদি সর্তকভাবে কাজ করেন তবে এ ভুলের মাত্রা অনেক তো কমে যাবেই বরং না হওয়ার সম্ভবনাই বেশি থাকবে। ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ারে যারা নতুন মূলত তাদের জন্যই আমার এ লেখা।
যে কোন ক্যারিয়ারেই আপনাকে আপনার প্রফেশনালিজম ধরে রাখতে হবে যদি আপনি তা না পারেন তবে তা আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ক্ষতিকর। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা অনেক সময় অনেক কিছু করি কিন্তু সতর্কভাবে করি না। ফলাফল হিতে বিপরীত হয়। সুতরাং সতর্কভাবে কাজ করুন এবং ক্যারিয়ারে সফল হন।
ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ারে আমি দেখেছি অনেকেই নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী আয় করতে পারে না বরং তারা অনেক কম আয় করে। কেন ? কারণ তাদের ভয় বেশি চাইলে যদি ক্লায়েন্ট কাজ আমাকে না দিয়ে অন্যকে দেয়। কিন্তু ভাই আপনি কি এ ভয়েই সারাজীবন কাটাবেন নাকি নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী বেশি আয় করবেন। অথবা বেশি আয় করার দরকার নেই কিন্তু আপনার যে যোগ্যতা তার সমপরিমাণ আয় করুন তাহলেই হবে।
এই আর্টিকেলে আমি বোঝানোর চেষ্টা করব কিভাবে একটা প্রজেক্টের দাম নির্ধারণ করবেন এবং সঠিকভাবে আয় করবেন।
আপনি যদি ফিলান্স সাইটগুলোতে খেয়াল রাখেন তাহলে দেখবেন ভারতীয় এবং চাইনীজ ফ্রিলান্সাররা মূলত অনেক কম টাকায় কাজ করে থাকে।যদিও সবাই না কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখেছি বেশিরভাগদেরই রেট কম। আবার তুলনামূলক ভাবে ভারতীয়দের কাজের মানও তত ভাল না সুতরাং রেট তো কম হবেই, তাই বলে আমি এটা বলছি না যে ওদের মধ্যে এক্সপার্ট নাই। আমার ফ্রিলান্স ক্যারিয়ারে আমি ২/৩ জন ভারতীয় কিন্তু আমেরিকায় বাস করে এমন ক্লায়েন্টের কাজ করেছি যারা অনেক ভালো রেট আমাকে দিয়েছে। এখানে রেট বলতে আমি টাকার পরিমান ঘন্টা হিসেবে বুঝায়তেছি, যদি আমি ভারতীয়দের থেকে আমার যোগ্যতা প্রমান না করতে পারতাম তাইলে তো আর কাজ পাইতাম না, তাইনা। সুতরাং এটা স্পষ্টতই বোঝা যায় যে আপনি যদি আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন এবং তা যদি আপনার ক্লায়েন্টের কাছে বোঝাতে পারেন তবে আপনি অবশ্যই ভালো রেটে কাজ করতে পারবেন।
ফ্রিলান্স যারা করে তারা নিজ থেকেয় অনেক দক্ষতা অর্জন করে ফেলে। কিন্তু যারা এই লাইনে নতুন তাদের প্রত্যেকের কিছু প্রাথমিক বিষয়ে দক্ষতা থাকা দরকার। এতে করে ক্লায়েন্ট যেমন সন্তুষ্ট হবে তেমনি ভালো রেটিং পাওয়া যাবে। এই দক্ষতাগুলো ফ্রিলান্স ক্যারিয়ারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবসময়ের জন্য দরকার। এই আর্টিকেলে আমি সেরকম কিছু বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।
১. ইমেইল এর মাধ্যমে যোগাযোগ
যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইমেইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা মাধ্যম। একজন ফ্রিলান্সার হিসেবে আপনাকে অবশ্যয় জানতে হবে কিভাবে ভালো ইমেইল লিখতে হয়। যেহেতু ইংরেজীতে আমাদের ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ করতে হয় তাই ভালো ইংরেজী লিখতে পারাটা খুবই গুরত্বপূর্ণ। ব্যাকরণগত ভুল যাতে না হয় এবং ভুল বানান যাতে না হয় এদিকে নজর দিতে হবে। প্রথমদিকে এজন্য ভালো কোন ওয়ার্ড প্রসেসর যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অথবা ওপেন অফিস এর ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া আপনি যদি ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই আপনার ইংরেজী ডিকশনারি প্লাগিন ইনস্টল করে নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন রিমোর্ট কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট আপনাকে দেখতে পাচ্ছে না সুতরাং আপনার কথা যদি ক্লায়েন্ট বুঝতেই না পারে তাহলে আপনার জন্যই তা সমস্যা হয়ে দাড়াবে। ইমেইল এর জন্য গুগল এর জিমেইল ব্যবহার করাটা আমি বেশি পছন্দ করি এছাড়া আপনি ইয়াহু, এমএসএন, স্কাইপও ব্যবহার করতে পারেন।
ওয়েব পেজে আমরা সবাই কম বেশি ইমেজ ব্যবহার করি। যারা ডিজাইন নিয়ে সচেতন তারা সবসময় ইমেজ রেসিয় ঠিক রাখে যাতে ইমেজ স্ক্যালিং হয়ে খারাপ না দেখায়। এখন ধরা যাক আপনি যে ইমেজটা ব্যবহার করবেন সেটা অনেক বড় ইমেজ। এখন আপনাকে ইমেজটা ছোট করে দেখাতে হবে। তাহলে আপনি কি করবেন? আপনি কোন গ্রাফিক্স টুল ব্যবহার করে ইমেজটা ছোট করতে পারেন অথবা মূল ইমেজটাকেই উচ্চতা এবং বিস্তার দিয়ে ঠিকমত ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে ভুল রেসিওর কারনে ইমেজটা বাজে স্ক্যালিং হয়ে খারাপ না দেখায়।
এসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার
Feb 20
এসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার উইন্ডোজ ২০০০/এক্সপি/ভিসতা/উইন্ডোজ ৭ এবং সার্ভার ২০০০/২০০৩/২০০৮এর জন্য পার্টিশন ম্যানেজার, পার্টিশন পুনরুদ্ধার উইজার্ড এবং ডিস্ক এবং পার্টিশন কপি উইজার্ড সহ একটি অল-ইন-ওয়ান পার্টিশন সমাধান। এটি সর্বাপেক্ষা সুবিধাজনক হার্ড ডিস্ক পার্টিশন ম্যানেজার টুলকিট।
এসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার ব্যবহার করে যা করা যায়:
প্রক্সি সাইট এক ধরনের ওয়েব সাইট যা দিয়ে আপনি আপনার প্রিয় ওয়েব সাইট অথবা যেকোন ধরনের সাইট ব্রাউজ করতে পারবেন। অনেক সময় এমন হয় যে আপনার আইএসপি ফিল্টার বসায়ে কোন কোন সাইট ব্লক করে রাখছে, যা আপনি সাধারণভাবে ব্রাউজ করতে পারছেন না। কিন্তু আপনি যেকোন প্রক্সি সাইটের মাধ্যমে সেই ব্লক করা সাইট ভিজিট করতে পারবেন।
খুব সহজ ভাবে বোঝার জন্য ধরুন ১, ২, ৩ হল ৩টা ভিন্ন ধরনের সার্ভার।১, ২ থেকে যেকোন ধরনের রিসোর্স রিকোয়েস্ট করে পেতে পারে। কিন্তু ১, ৩ থেকে কোন রিসোর্স পায় না কারন ১ এর আইএসপি ৩ কে ব্লক করে রাখছে। ২ যদি একটা প্রক্সি সাইট অথবা সার্ভার হয় তাহলে ১ যা করবে তা হল সে প্রথমে ২ কে রিকুয়েস্ট করবে ৩ থেকে কোন রিসোর্স তাকে দেয়ার জন্য। ২, ৩ থেকে রিসোর্স এনে ১ এর কাছে পাঠাবে।
আপনি চাইলে আপনার নিজের জন্যও এরকম প্রক্সি সাইট পিএইচপি দিয়ে বানাতে পারবেন। এজন্য ওপেন সোর্স পিএইচপি স্ক্রিপট আছে। এরকম একটা স্ক্রিপট হল PHProxy।
আপনি শুধু জিপ ফাইলটা নামিয়ে নিন এবং আপনার সার্ভারে স্ক্রিপটটা আপলোড করে দিন। বাস্ হয়ে গেল আপনার প্রক্সি সাইট। যদি কোন কারনে স্ক্রিপটটা ঠিকমত কাজ না করে তাহলে স্ক্রিপটার readme.txt পড়ে নিন এবং নির্দেশনাগুলো ফলো করুন।


