অখুশি ক্লায়েন্টকে যেভাবে খুশি করবেন

unhappy clientঅনেক সময় আমাদের এমন হয় যে কাজ করতে গিয়ে আমরা ছোট বড় ভুল করে ফেলি।যখন আপনি কাজ করতে গিয়ে বড় ধরনের কোন ভুল করে ফেলবেন তখন ক্লায়েন্ট আপনার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে এবং পরবর্তীতে আপনাকে আর কাজ নাও দিতে পারে। অপরদিকে আপনি যদি আপনার কাজ দিয়ে ক্লায়েন্ট কে খুশি করতে পারেন তাহলে সে তার পরবর্তী কাজ আপনাকে দিয়েই করাতে চাইবে।

 

তাই কোনো কারনে ভুল হয়ে গেলে সেটা যদি সময়মত সংশোধন করে নেয়া যায় তাহলে আপনি ক্লায়েন্ট এর প্রশংসা বা সম্মান কোনোটাই হারাবেন না।

Tags: ,

ওডেক্স অনলাইন জব রিপোর্ট – মার্চ ২০১০

odeskআপনি ফ্রিলান্সিং যে সাইটেই করে থাকুন না কেন আপনার উচিত সব ফ্রিলান্স সাইটেই খোঁজ খবর রাখা। আজকে ওডেক্স মার্চ মাসের জব এর উপর একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সুতরাং একবার রিপোর্ট টা দেখুন।

মার্চ মাস ২০১০ এর ওডেক্স জব রিপোর্ট

একটা জিনিস দেখে ভালো লাগলো বাংলাদেশে ফ্রিলান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে।

odesk-provider

Tags: , ,

ফ্রিলান্সিংয়ে যে ধরনের ভুল কখনই করবেন না

mistakeমানুষ মাত্রই ভুল কিন্তু তারপরও আপনি যদি সর্তকভাবে কাজ করেন তবে এ ভুলের মাত্রা অনেক তো কমে যাবেই বরং না হওয়ার সম্ভবনাই বেশি থাকবে। ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ারে যারা নতুন মূলত তাদের জন্যই আমার এ লেখা।

যে কোন ক্যারিয়ারেই আপনাকে আপনার প্রফেশনালিজম ধরে রাখতে হবে যদি আপনি তা না পারেন তবে তা আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ক্ষতিকর। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা অনেক সময় অনেক কিছু করি কিন্তু সতর্কভাবে করি না। ফলাফল হিতে বিপরীত হয়। সুতরাং সতর্কভাবে কাজ করুন এবং ক্যারিয়ারে সফল হন।

পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , ,

ফ্রিলান্সিংয়ে নিজেকে ঠকাবেন না যোগ্যতা অনুযায়ী দাম ঠিক করুন

freelance cost determinationফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ারে আমি দেখেছি অনেকেই নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী আয় করতে পারে না বরং তারা অনেক কম আয় করে। কেন ? কারণ তাদের ভয় বেশি চাইলে যদি ক্লায়েন্ট কাজ আমাকে না দিয়ে অন্যকে দেয়। কিন্তু ভাই আপনি কি এ ভয়েই সারাজীবন কাটাবেন নাকি নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী বেশি আয় করবেন। অথবা বেশি আয় করার দরকার নেই কিন্তু আপনার যে যোগ্যতা তার সমপরিমাণ আয় করুন তাহলেই হবে।

এই আর্টিকেলে আমি বোঝানোর চেষ্টা করব কিভাবে একটা প্রজেক্টের দাম নির্ধারণ করবেন এবং সঠিকভাবে আয় করবেন।

আপনি যদি ফিলান্স সাইটগুলোতে খেয়াল রাখেন তাহলে দেখবেন ভারতীয় এবং চাইনীজ ফ্রিলান্সাররা মূলত অনেক কম টাকায় কাজ করে থাকে।যদিও সবাই না কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখেছি বেশিরভাগদেরই রেট কম। আবার তুলনামূলক ভাবে ভারতীয়দের কাজের মানও তত ভাল না সুতরাং রেট তো কম হবেই, তাই বলে আমি এটা বলছি না যে ওদের মধ্যে এক্সপার্ট নাই। আমার ফ্রিলান্স ক্যারিয়ারে আমি ২/৩ জন ভারতীয় কিন্তু আমেরিকায় বাস করে এমন ক্লায়েন্টের কাজ করেছি যারা অনেক ভালো রেট আমাকে দিয়েছে। এখানে রেট বলতে আমি টাকার পরিমান ঘন্টা হিসেবে বুঝায়তেছি, যদি আমি ভারতীয়দের থেকে আমার যোগ্যতা প্রমান না করতে পারতাম তাইলে তো আর কাজ পাইতাম না, তাইনা। সুতরাং এটা স্পষ্টতই বোঝা যায় যে আপনি যদি আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন এবং তা যদি আপনার ক্লায়েন্টের কাছে বোঝাতে পারেন তবে আপনি অবশ্যই ভালো রেটে কাজ করতে পারবেন।

পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , ,

প্রত্যেক ফ্রিলান্সারদের যে ৫টি দক্ষতা থাকা দরকার

freelance-skillফ্রিলান্স যারা করে তারা নিজ থেকেয় অনেক দক্ষতা অর্জন করে ফেলে। কিন্তু যারা এই লাইনে নতুন তাদের প্রত্যেকের কিছু প্রাথমিক বিষয়ে দক্ষতা থাকা দরকার। এতে করে ক্লায়েন্ট যেমন সন্তুষ্ট হবে তেমনি ভালো রেটিং পাওয়া যাবে। এই দক্ষতাগুলো ফ্রিলান্স ক্যারিয়ারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবসময়ের জন্য দরকার। এই আর্টিকেলে আমি সেরকম কিছু বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।

১. ইমেইল এর মাধ্যমে যোগাযোগ

যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইমেইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা মাধ্যম। একজন ফ্রিলান্সার হিসেবে আপনাকে অবশ্যয় জানতে হবে কিভাবে ভালো ইমেইল লিখতে হয়। যেহেতু ইংরেজীতে আমাদের ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ করতে হয় তাই ভালো ইংরেজী লিখতে পারাটা খুবই গুরত্বপূর্ণ। ব্যাকরণগত ভুল যাতে না হয় এবং ভুল বানান যাতে না হয় এদিকে নজর দিতে হবে। প্রথমদিকে এজন্য ভালো কোন ওয়ার্ড প্রসেসর যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অথবা ওপেন অফিস এর ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া আপনি যদি ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই আপনার ইংরেজী ডিকশনারি প্লাগিন ইনস্টল করে নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন রিমোর্ট কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট আপনাকে দেখতে পাচ্ছে না সুতরাং আপনার কথা যদি ক্লায়েন্ট বুঝতেই না পারে তাহলে আপনার জন্যই তা সমস্যা হয়ে দাড়াবে। ইমেইল এর জন্য গুগল এর জিমেইল ব্যবহার করাটা আমি বেশি পছন্দ করি এছাড়া আপনি ইয়াহু, এমএসএন, স্কাইপও ব্যবহার করতে পারেন।

পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , ,

ওয়েব পেজে ইমেজ রেসিও যেভাবে ঠিক রাখবেন

image ratioওয়েব পেজে আমরা সবাই কম বেশি ইমেজ ব্যবহার করি। যারা ডিজাইন নিয়ে সচেতন তারা সবসময় ইমেজ রেসিয় ঠিক রাখে যাতে ইমেজ স্ক্যালিং হয়ে খারাপ না দেখায়। এখন ধরা যাক আপনি  যে ইমেজটা ব্যবহার করবেন সেটা অনেক বড় ইমেজ। এখন আপনাকে ইমেজটা ছোট করে দেখাতে হবে। তাহলে আপনি কি করবেন? আপনি কোন গ্রাফিক্স টুল ব্যবহার করে ইমেজটা ছোট করতে পারেন অথবা মূল ইমেজটাকেই উচ্চতা এবং বিস্তার দিয়ে ঠিকমত ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে ভুল রেসিওর কারনে ইমেজটা বাজে স্ক্যালিং হয়ে খারাপ না দেখায়।

পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , ,

এসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার

EASEUS-Partition-Managerএসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার উইন্ডোজ ২০০০/এক্সপি/ভিসতা/উইন্ডোজ  ৭ এবং সার্ভার ২০০০/২০০৩/২০০৮এর জন্য পার্টিশন ম্যানেজার, পার্টিশন পুনরুদ্ধার উইজার্ড এবং ডিস্ক এবং পার্টিশন কপি উইজার্ড সহ একটি অল-ইন-ওয়ান পার্টিশন সমাধান। এটি সর্বাপেক্ষা সুবিধাজনক হার্ড ডিস্ক পার্টিশন ম্যানেজার টুলকিট।

এসাস্ পার্টিশন ম্যানেজার ব্যবহার করে যা করা যায়:

পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , , , ,

পিএইচপি দিয়ে খুব সহজে প্রক্সি সাইট তৈরি করুন

proxy serverপ্রক্সি সাইট এক ধরনের ওয়েব সাইট যা দিয়ে আপনি আপনার প্রিয় ওয়েব সাইট অথবা যেকোন ধরনের সাইট ব্রাউজ করতে পারবেন। অনেক সময় এমন হয় যে আপনার আইএসপি ফিল্টার বসায়ে কোন কোন সাইট ব্লক করে রাখছে, যা আপনি সাধারণভাবে ব্রাউজ করতে পারছেন না। কিন্তু আপনি যেকোন প্রক্সি সাইটের মাধ্যমে সেই ব্লক করা সাইট ভিজিট করতে পারবেন।

খুব সহজ ভাবে বোঝার জন্য ধরুন ১, ২, ৩ হল ৩টা ভিন্ন ধরনের সার্ভার।১, ২ থেকে যেকোন ধরনের রিসোর্স রিকোয়েস্ট করে পেতে পারে। কিন্তু ১, ৩ থেকে কোন রিসোর্স পায় না কারন ১ এর আইএসপি ৩ কে ব্লক করে রাখছে। ২ যদি একটা প্রক্সি সাইট অথবা সার্ভার হয় তাহলে ১ যা করবে তা হল সে প্রথমে ২ কে রিকুয়েস্ট করবে ৩ থেকে কোন রিসোর্স তাকে দেয়ার জন্য। ২, ৩ থেকে রিসোর্স এনে ১ এর কাছে পাঠাবে।

আপনি চাইলে আপনার নিজের জন্যও এরকম প্রক্সি সাইট পিএইচপি দিয়ে বানাতে পারবেন। এজন্য ওপেন সোর্স পিএইচপি স্ক্রিপট আছে। এরকম একটা স্ক্রিপট হল PHProxy

আপনি শুধু জিপ ফাইলটা নামিয়ে নিন এবং আপনার সার্ভারে স্ক্রিপটটা আপলোড করে দিন। বাস্ হয়ে গেল আপনার প্রক্সি সাইট। যদি কোন কারনে স্ক্রিপটটা ঠিকমত কাজ না করে তাহলে স্ক্রিপটার readme.txt পড়ে নিন এবং নির্দেশনাগুলো ফলো করুন।

Tags: , ,

বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট বিটকমেট

আমরা অনেকেই হয়ত টরেন্ট শব্দটার সাথে খুব বেশি পরিচিত না। তবে সাধারণত যারা অনেকদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের এই শব্দটা ভালই শোনার কথা। বিটটরেন্ট শব্দটাকেই অনেকে সংক্ষেপে শুধু টরেন্ট বলে।

বিটটরেন্ট হল পিয়ার-টু-পিয়ার ফাইল শেয়ারিং প্রটোকল যা অনেক বড় সাইজের ফাইল শেয়ার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রোগ্রামার ব্রান কোহেন ২০০১ এর এপ্রিলে প্রথম এই প্রোটকলটা ডিজাইন করেন এবং ২০০১ এর ২রা জুলাই মাসে এটার প্রথম ব্যবহারযোগ্য ভার্সন রিলিজ দেওয়া হয়।

টরেন্ট যেভাবে কাজ করে তা হল প্রখমে একজন ব্যবহারকারী ফাইল প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করে এবং ফাইলটা নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেয়। এই ব্যবহারকারীর ফাইলটাকে বলা হয় সিড। অন্যান্য ব্যবহারকারী তখন এটার সাখে কানেক্ট করে ফাইলটা ডাউনলোড করতে পারে । যারা ডাউনলোড করে তাদেরকে পিয়ার বলে। নতুন পিয়ারদের মূল সিডের বিভিন্ন অংশ ডাউনলোড করতে দেওয়া হয়। যখন বিভিন্ন পিয়ার বিভিন্ন অংশ ডাউনলোড করে ফেলে তখন বিটটরেন্ট এই পিয়ারগুলোকে মূল ফাইলের সোর্স হিসেবে কাজ করার অনুমিত দেয়। এতে মূল সিডের উপর চাপ অনেক কমে যায় এবং মূল ফাইলের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন পিয়ার হতে শেয়ার করা শুরু করে। পরবর্তী অংশটি পড়ুন »

Tags: , , , ,

জেন্ড সার্টিফায়েড ইঞ্জিনিয়ার সম্বন্ধে কিছু কথা

Tags: , , ,